কেন আমার পরিবার ও আমাকে দৈনিক পত্রিকা দি সান মিথ্যাচার করলো:
দৈনিক পত্রিকা দি সান নাকি দৈনিক কালের কন্ঠ, দৈনিক দি সান আরো কয়েকটি পত্রিকার মালিক, আমার জানা নেই, বিষয়টি, হলুদ সাংবাদিকতা বিষয়ে আমি বেশ কিছু আর্টিকেল পড়েছি, আর দি সান আমার ও আমার পরিবারকে নিয়ে একটা মিথ্যাচার করার পিছনে কি কারণ থাকতে পারে? বিষয়টা জানা যাই নি। আমি আছি আমাকে নিয়ে, দি সান পত্রিকার এক সাংবাদিক আমার অসুখ নিয়ে ফিচার বের করবে বলে আমার বাসায় আসলো, আমি ভদ্রলোকের নাম জানতে চাইলাম, তিনি বললেন, আমি সামুতে লিখালিখি করি এবং দৈনিক পত্রিকা দি সানের একজন কলামিষ্ট, আপনি অসুস্ত এটা জেনেছি আগে, আসবো আসবো করে আসা হচ্ছিলো না, যাই হউক যদি কিছু বলেন, আমি তাকে সব কাগজ বের করলাম ডাক্তারের যাবতীয় টেষ্ট, রির্পোট ইত্যাদি, একটা একটা করে ফটোকপি করে তাকে দিলাম। ভদ্রলোক জানালেন তার নাম নির্ঝর মজুমদার আমি একটু খোজ খবর জানতে আমার বন্ধু (আরেক পত্রিকায় কাজ করেন) তাকে ফোন দিবার আগে সাংবাদিকের ব্যস্ততা বেড়ে গেলো, সে আমার হাত থেকে বার্চার রাস্তা বের করার জন্য উঠে পড়লেন, বললাম বসেন চা আসুক, কিন্তু ভদ্রলোক আর বসলেন না, আরেক কাজের ব্যস্তটা দেখিয়ে বিদায় নিলেন, আমি আর কি করতে পারি, ওমা পরের দিন দেখি আমরা তার পত্রিকার তৃতীয় পাতায়, কিন্তু কি ছাপলো, আমার ঘরে দশ হাজার টাকার খালি পুতুল, তারপর ড্রইয়রুমের বর্ণণা, তারপর বলে কি আমরা উভয়ে নাকি চিটিং, ব্লগে ফ্রডিং করে টাকা নিয়েছি, এইরুপ সাংবাদিক আমার বাসায় আসলো আর খবর ছেপে দিল আমরা হাসবেন্ড ওয়াইফ নাকি চিটিং করে ব্লগ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছি, ওমা এই বেটা কেমন সাংবাদিক, কোন ছবি নাই কিন্তু নাম ঠিকানা ঠিক।
আমার তো কপালে ঘাম, বেটা তো একটা দুই নম্বর, আরে তুই অসুস্ত মানুষের কথা না লিখে তুই এটা কি ছাপলি, আমি একটা প্রতিবাদ পাঠালাম তার এডিটরকে দেখি সেটা যাইনা বার বার ফেরত আসে, ভাল করে দেখলাম, কথা বলার চেষ্টা করলাম, কিন্তু কেউ ফোন ধরে না। বুঝলাম আমার সাথে মসকারি করছে, বললাম রোজলীন তোমাদের ছোট বোন, সেহেতু আমি তো দুলা ভাই, মশকারি হইলে মসকারি, তবুও একটু খবর নিতে গিয়ে দেখি এইগুলান ও পত্রিকা আবার প্রথম আলোও একটা পত্রিকা, মানে আমি ব্লগার আর নিক সর্বস্ব ব্লগার’রা ও তো ব্লগার। আমি মাথা থেকে বাদ দিলাম ঠিক কিন্তু যারা খবরটা দেখছে তাদের ফোন, কিরে ভাই, আপনারে নিয়া পত্রিকাওয়ালা মসকারি করতেছে, আমি বললাম আমি তাদের দুলাভাই তো তাই আমার লগে মশকারি করে কেননা তারা ছোট বোন আমারে বিয়া দিছে না।
আরেকজন কয় ভাই কি পত্রিকা? আমি কইলাম, পত্রিকার নাম দি সান....বেটা কয় অ....নতুন নতুন পত্রিকা আহে, হেরা খবর খুউজ্জা পাই না, তায় আপনারে লইয়া লেখে, তাও ভাল কথা লিখলে ভালা হইত বেটা ভাল মানুষরে লইয়া এমুন ফাইজ্জলামি কামডা ঠিক হইল? আমি তারে কই, আমারে কইলাম না দুলাভাই মানছে, আগে কইলাম না? বেটা হাসে আর কয়, হ পরত্থুম আলো ও পত্রিকা আর দি সান ও পত্রিকা তয় দি সান মনে হয় সুর্যের চাইতে গরম বেশী.........আমি হাসি, বেটা ঠিক কইছে, সানের গরম বেশী। হেরা বালুতো....................আর কি কমু।
imhasnahena
Monday, December 5, 2011
Sunday, December 4, 2011
Who is Hasna Hena? হাসনা-হেনার নিকের আড়ালে যিনি?
হাসনা-হেনা একজন মানুষের ভালবাসায় দেয়া নাম। মানুষটি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ৪ বছর বয়স হলে কি হবে তার ডানপিটে স্বভাবের কারণে সে পরিচিত গাইচ্ছা পোয়া (চট্টগ্রামের ভাষায় গাছের সন্তান) বলা হতো, কেননা জামাল খান গির্জা স্কুলের বাদাম গাছগুলোর আড়ালে একটু খেয়াল করলে তার যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা অনেক পথিকের চোখে পড়েছে যা সেই সময়ের বাস্তবতা অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় থেকে তুলে আনা চিত্র। মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধপরবর্তী অনেক ঘটনা রয়ে গেছে যা অনেকের অজানা, আবার অনেকে মুক্তিযুদ্ধে বিরোধীতা করেও শুধুমাত্র ভূয়া সার্টিফিকেটের জোরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে, যার প্রমাণ আছে ভুরি ভুরি, অথচ আলোচিত ক্ষুদ্র এই বালক বা তাদের নিয়ে কেউ এগিয়ে এসেছেন এমনটা চোখে খুব কম পড়বে। এই গল্পে ছোট্ট বালকটি সম্পূর্ণ বুঝ না হওয়ার কারণে ক্লান্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পানি খাইয়ে তাদের দোয়া পেয়েছেন কিনা? নাকি তিরস্কৃত হয়েছেন? সে প্রশ্নে যাওয়ার আগে বলতে হবে যারা যুদ্ধচলাকালীন সেন্ট মেরিস হলে আশ্রিত ছিল কেবল তারাই বলতে পারবে তাদের দিন-রাতের অমানবিক গল্পগুলো, যা রুপকথার অবাস্তব প্লট থেকে লেখকের সুনিপন কারিগরী হাতে ও দক্ষ বুননে একটা গল্পের প্লট পেতে পারতো কিন্তু এই যে বাস্তব চিত্র। কেননা যুদ্ধের পর পর যুদ্ধে বিদ্রোহকারী যারা তারাও সময়ের হাত ধরে পাশাপাশি যেভাবে রাজনীতিতে শক্ত অবস্তান লাভ করছিলো তা প্রতিদিন একজন বাঙালী হিসাবে গর্হিত করছিলো আসল দেশপ্রেমিকদের ফলে দেশ প্রেম বা দেশের প্রতি ভালবাসা থাকলে ও অনেকেই আজ দেশের বাইরে, কিন্তু আলোচিত ক্ষুদ্র এই বালক এখনো সেই স্মৃতি জাগানিয়া কথাগুলো মনের মাঝে গেঁথে রেখেছে অপার ভালবাসায় শুধু দেশের প্রতি ও মানুষের প্রতি তার অদম্য ভালবাসার স্মৃতিস্বরুপ।
যুদ্ধের অস্বাভাবিকতা যেন এই বাচ্চার কাছে এসে স্বাভাবিক হয়ে গেছে, মুহুর্তের আতঙ্ক আর বুকে কাপনঁ ধরিয়ে দেওয়া সাইরেনের আওয়াজ এক বাদাম গাছ থেকে আরেক বাদামগাছে লাফানোতে বেশী স্বাচ্ছন্দ যা শেষে টারজানের মতো ঝুলে নীচে ঝাপঁ দিয়ে আনন্দ প্রকাশ উক্ত পরিবারটিকে আরো বিরক্তি বাড়াচ্ছিলো বাদ বাকী আশ্রয় পাওয়া বাকী পরিবারগুলোর মাঝে। এক পর্যায়ে ক্লান্ত মুক্তিযুদ্ধোদের পানি পান করতে দিয়ে সকল পরিবারের গালাগালি আর বঞ্চনা সহ্য করতে হয়েছে পরিবারটি’কে। যুদ্ধ চলাকালীন উক্ত ১২০টি পরিবারের মাঝে দুরন্ত বালকদের ঘরবাড়ী বিহারীরা পুড়িয়ে দিলে তারা ও সেই সেন্ট মেরিস স্কুলের হল-রুমে বাকী ১১৯টি খ্রিষ্টান পরিবার সাথে জীবন বাচানোর তাগিদে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয। আজ সময়ের আবর্তে সেই দুরন্ত বাচ্চাটিই বর্তমানের হাসনা হেনা যার প্রকৃত নাম সেলাষ্টিয়ান পিনারো।
যারা সরকারে আছে তারা বিষয়টি আশা করবো একটু নজর দিবেন।
আজ তিনি একজন সাহসি ব্লগার, তার লেখায় পাওয়া যাবে দেশ প্রেম, দেশের প্রতি ভালবাসা মমতা ও টান, যদিও একাধিকবার দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার পরও সে একবার ইন্ডিয়ার মিশন হসপিতালে চিকিৎসার প্রয়োজনে ভ্রমন করেন। বর্তমানে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সেই পঞ্চমবার আর ভিসা নিতে দাড়াইনি, এবং বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা: জীবন চন্দ্র দাশের অধীনে সে চিকিৎসা রত। প্রথম আলো ব্লগে তিনি এক বছরের বেশী সময় ধরে লিখলেও ব্লগের সকল ব্লগাররা বেশ উৎসাহ দেখালেও পরবর্তী যে কোন কারণেই হউক সাহায্য বন্ধ হয়ে যাই এবং অনেকে তার উপর চটে গিয়ে তাকে প্রতারণার মামলায় ফাসানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বিফল হন অনেক ব্লগার, যা অনভিপ্রেত। তিনি এক কন্যা সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে চট্টগ্রামেই বসবাস করছেন বর্তমানে।
২০০৪ সালে দুরারোগ্য হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত হন ও ডাক্তার জীবন চন্দ্র দাসের কাছে চিকিৎসাধীন আছেন।
এবার একটু পিছনে ফিরবো। সময়টা ঠিক মনে পড়ছে না, তবে এইটা মনে আছে আমি (লেখক) আর বড় ভাই ঢাকায়। আমি ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে বেড়াতে গেলাম মেজবোন মিলির সংসারে তখন বড়দা পাকাপাকি অবস্তান নিয়েছে, ঢাকার পান্ডা গার্ডেন চাইনিজ রোস্তোরা’তে চাকরীর সুবাধে সে ঢাকায় কেননা লিবিয়া থেকে রিক্ত হস্তে সে ফিরে আসে এবং বিদেশে যাওয়ার প্রতি তার মন ভেঙ্গে যাই বলে ঢাকায় মেজবোনের বাসায় আপাতত থাকবে। একদিন আমাকে বলল ভাই, তুই আমাকে বাচা, আমি বললাম, কি বিষয়, বলে তোর বউদিকে ওরা জোর জবরদস্তি বিয়ে দিবে, আমি যদি এখন বিয়ে করতে না পারি তাহলে জীবনের সব কিছু অর্থহীণ হয়ে পড়বে। আমি তেমন একটা বেড়াবার সুযোগ পেলাম না। বড়ভাইয়ের বিপদ মানে তো আমার বিপদ, এইরুপ ভেবে আমি তার সাথে চট্টগ্রাম চলে আসি।
এক বিকেলে আমি বউদির বাসায় আমার তিন বন্ধুকে নিয়ে যাই, তখন তারা রড্রিক পরিবারের একমাত্র মেয়ে ডরিণকে অনত্র বিয়ে দেওয়ার কথা প্রায় পাকাপাকি করে ফেলেছে, মেয়ের অমতে, যেহেতু মিসেস রড্রিকের স্বামী নেই, আছে তিন ছেলে ও এক মেয়ে, এবং মেয়েকে বিয়ে দিবার কথা পাকা করেছে, তাই তিন ভাই সর্বদা সেই বাড়ীতে গার্ডের ব্যবস্তা হিসাবে তাদের ছোট ছেলে আর মেজ টাকে পাহারায় রাখতো যেন আমার বড় ভাই সেখান থেকে মেয়ে উঠিয়ে নিয়ে না আসতে পারে। তারাও খুব সম্ভব এমনটা ভেবে আগাচ্ছিল, কিন্তু বিধিবাম, আমার উপস্তিতি তাদের কাছে ধোয়াসার মতো। ঘটনায় আমার ভূমিকা নিয়ে মেয়ের ভাইয়েরা প্রশ্নবিদ্ধ।
আমি গেলাম, বড়ভাইকে টেক্সিতে বসিয়ে রেখে আমি বউদি’কে বললাম, চলেন আমার সাথে, বউদি যে রকম কাপড় পড়া ছিলো সে রকম এক কাপড়ে বেড়িয়ে আসলো তার দুই ভাইকে উপেক্ষা করে। অতপর আমি তাদের এক টেক্সিতে উঠিয়ে দিয়ে আমরা আরেক টেক্সিতে উঠলাম। নিয়ে আসলাম আমাদের বাসায়। তার কিছুদিনের মধ্যে তাদের বিয়ের ব্যবস্তা শুরু হলো যা আমরা আস্তে আস্তে জানতে পারবো। এবং আমাদের মতো সম্ভ্রান্ত একটি পরিবারের আজকের দশায় আসার পিছনে এই মহিলা (আমার বউদি) ও তাদের পরিবারের অশুভ হাত সব সময় চলে আসছিল। এবং আমার পিছনে তখন থেকে পরিবারটি লেগেই থাকলো, যা এখনো আমি বয়ে বেড়াচ্ছি।
এখানে বলে রাখা ভালো যে, আমরা সাত ভাই বোন চট্টগ্রামের সাঙ্কৃতিক অঙ্গনে অনেক বিষয়ে সাথে জড়িত থাকলেও মূলত এই এংলো পরিবারের মেয়েকে ঘরে ঢুকিয়ে আমরা সাত ভাই বোনের মাঝে শুরু হলো নানা দ্বিধাদন্ড। মায়ের সাথে বনিবনাতেও সমস্যা তৈরী হচ্ছিল কেননা আমার মা একটু বেশী পরিস্কার পরিছন্ন ও খুতখুতে স্বভাবের বলে বেজে যাচ্ছিল এক সংসাবে বসবাস করা। এদিকে বউমাকে ঘুম থেকে দেরীতে উঠবে আর কোন কাজকর্ম তার শেখা না থাকায় প্রায় বিষয়টি ঝগড়াঝাটিতে গড়াতো আর আমার ভাই আমার মাকে, ভাই বোনকে ভুল বুঝাতো, একবার আমার সাথে এই নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে হাতাহাতিতে গড়ালে মা আর বাবা সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদেরকে অন্যত্র ঘর ভাড়া নিতে বললে তা চূড়ান্ত অশান্তির রুপ লাভ করে, কেননা যে পরিবার থেকে মেয়ে আনা হলো তারা সবসময় ইংরেজীতে কথা বলতো, যা আমাদের সঙ্কৃতির সাথে খাপ খেতো না, তা ছাড়া উক্ত পরিবারের আর যারা আমাদের বাসায় বেড়াতে আসতো তারা আমাদের সঙ্কৃতির সাথে মিলতো না বিশেষ ভাবে মেয়েদের উগ্র ভাবে চলা, ছোট স্কার্ট পড়ে বাইরে যাওয়া এইসব দিক থেকে আমরা একটু সভ্য ছিলাম, ফলে মা আর বউদির সাথে সব সময় মিস-আন্ডারষ্ট্যান্ডিং চোখে পড়তো, অবশেষে আমার বড় ভাইকে অবশেষে ঘরভাড়া নিতে হলো আমাদেরই পাশের আরেক পাড়াবাসীদের ভাড়া বাসায়। তারা চলে গেলেও বড় ভাই ও বউদির ফ্যাক্টর আমাদের পরিবারের সাথে অদৃশ্য ভাবে মিশে রইল কারণ বড়ভাই সবসময় বাবার সাথে তার বিষয় নিয়ে সংসারে অশান্তি করতে আসতো। এতে আমার বাবা মানষিকভাবে চাপের মধ্যে পড়ে।
পরিবারের বড় মেয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের ছেলের সঙ্গে লাভ-মেরেজের কারণে আমার বাবা ভীষণ আঘাত পাওয়ার ফলস্বরুপ বাদ বাকী বোনদের কে লইট্ট্যা মাছের মতো বিয়ে দেয়া শুরু করলেন না জানি বড়টা যা ডুবিয়েছে, পরের গুলো যেনো পরিবারটাকে না ডুবাতে পারে, এইরুপ তাড়াহুড়ার মাঝে আমার ছোটো তিনবোনকে যেরুপ ভাবে মানুষে বিয়ে দেবার কথা তার চাইতে আরও জোরেসোরে বিয়ের প্রস্তূতি নিতে দেখা গেল আমার বাবা আর মার মাঝে। মোট কথা পারিবারিক শান্তি আর পরিবারটার মাঝে রইলো না।
বড়বোন ও বড়ভাইয়ের এহেন আচরণে বাবা একেবারে ভেঙ্গে পড়েন, আর আমি পরিবারের এইরুপ ভাঙ্গা সময়ে নিজেকে নিজেই হারিয়ে ফেলি হতাশার রাজ্যে, ১৯৮৭ সালে ডিগ্রী পরীক্ষা কোনরকমে এটেন্ড করি কেননা পরীক্ষার আগের রাতেও খেপ মেরেছি বিয়ে বাড়ীতে, ফলে রেজাল্ট যা হওয়ার হলোও তাই, কোনরকমে তৃতীয় শ্রেনী। তবুও একবারের চেষ্টায় এভাবে বলে সান্তনা পাওয়া যেতে পারে কিন্তু আমি তো সেইটা মনে করি না কেননা আমি আমার জীবনে আর কিছু পাওয়ার জন্য বেচেঁ নেই। আমার ছোট ভাই কিছুটা নিজেকে ফিরে পেয়েছে লন্ডনে গিয়ে কিন্তু আমি যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে গেলাম।
১৯৯৯ সালের কথা। হাসনা হেনার বিয়ে সংক্রান্ত বিযয়ে কথা হচ্ছিলো, তখন হাসনা হেনার কোনো পাত্রী পছন্দ হয় না, কোনোটা কালো তো কোনটা বেশী ধলা, যাই হউক শেষে এক পাত্রীকে দেখতে তিনি গেলেন রোজলিনের বড়ভাইয়ের বাসায়, বিএসএস পরীক্ষার রেজাল্ট পেয়ে চট্টগ্রামে নিজের বড়ভাইয়ের বাসায় উঠেছেন মাস দুয়েক আগে অপেক্ষায় মহিলা কলেজে এমএসএস করার অভিপ্রায়। আর গল্পের হাসনা হেনার পাত্রী দেখতে গিয়ে রোজলিন ডায়েস সাথে কথা হলো, আলাপ পরিচয় পর্ব শেষ হলো, কন্যা দেখা ও হলো, জানা গেল কন্যার বাবা বয়সের কারণে অসুস্ত শেষকালে ছোট মেয়ের বিয়ে দেখে শরীর রাখবেন এমন ইচ্ছা প্রকাশ করলে তাড়াহুড়ার এই বিয়ে, তার পিতা এলেন ডায়েস সরকারী চাকড়িজীবি ছিলেন যখন আমার বিয়ে হয়, আর মাতা র্মাগারেট ডায়েস, সরকারী প্রাইমারি বিদ্যালয়ের ছিলেন হেড মিস্ট্রেস মোটামুটি পরিবারটি সরকারি চাকরী করে আসছিলো। অতপর: তাদের ছোট মেয়ের সাথে হাসনা হেনার বিয়ে হলো ধুম-ধাড়াক্কা বাদ্য বাজনা হলো। এইভাবে ঘটনা এগিয়ে চলছিলো সামনের দিকে।
বর্তমানে কে কি ভাবে আছি একটু বিস্তারিত বলা দরকার।
আমি হাসনা হেনা আমার হালতে আছি, বড় ভাই অসুস্ত শুনেছি তবে দেখিনি, তার ঘরে এক মেয়ে যে ঢাকার মিশনারী স্কুলের বোর্ডিং’এ পড়ালেখা করে, তাদের ছোট ছেলে যার সাথে আমার কিছুটা ভাব ছিল, সে এখন মালেশিয়াতে, ইন্টার পাস করে পড়ালেখার মতিগতি না দেখে তাকে কামানোর কাজে তার বাবা মা লাগিয়ে দিয়েছে এই বয়সে যে বয়সে একটা লাইন নিয়ে পড়ালেখার জীবন শেষ হয়। অন্তত আমাদের মতো পরিবারে। ছেলের মতিগতি নিশ্চয় বাবা-মার জানা হয়ে গেছে, তাই হয়তো ভালোর জন্য এমন করেছে, যাই হউক এটা তাদের বিষয়। আমি আমার এক কন্যা সন্তান নিয়ে আছি, রোজলীন আছে তার ব্যবসা (ট্রেইনিং সেন্টার আর দোকান নিয়ে) মেয়ে স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছে বলে ইন্ডিয়া যাওয়া আমার থামাতে হয়েছে, কেননা এইরুপ জীবনের শুরুর বছরগুলো আমাদের পিতা-মাতারা তেমন ভাবে ভাবতে শিখেনি বলে সময়কালে আমরা কিছু হতে পারিনি।
প্রতিদিন আপগ্রেড জানতে এখানে ক্লিক করুন।
যুদ্ধের অস্বাভাবিকতা যেন এই বাচ্চার কাছে এসে স্বাভাবিক হয়ে গেছে, মুহুর্তের আতঙ্ক আর বুকে কাপনঁ ধরিয়ে দেওয়া সাইরেনের আওয়াজ এক বাদাম গাছ থেকে আরেক বাদামগাছে লাফানোতে বেশী স্বাচ্ছন্দ যা শেষে টারজানের মতো ঝুলে নীচে ঝাপঁ দিয়ে আনন্দ প্রকাশ উক্ত পরিবারটিকে আরো বিরক্তি বাড়াচ্ছিলো বাদ বাকী আশ্রয় পাওয়া বাকী পরিবারগুলোর মাঝে। এক পর্যায়ে ক্লান্ত মুক্তিযুদ্ধোদের পানি পান করতে দিয়ে সকল পরিবারের গালাগালি আর বঞ্চনা সহ্য করতে হয়েছে পরিবারটি’কে। যুদ্ধ চলাকালীন উক্ত ১২০টি পরিবারের মাঝে দুরন্ত বালকদের ঘরবাড়ী বিহারীরা পুড়িয়ে দিলে তারা ও সেই সেন্ট মেরিস স্কুলের হল-রুমে বাকী ১১৯টি খ্রিষ্টান পরিবার সাথে জীবন বাচানোর তাগিদে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয। আজ সময়ের আবর্তে সেই দুরন্ত বাচ্চাটিই বর্তমানের হাসনা হেনা যার প্রকৃত নাম সেলাষ্টিয়ান পিনারো।
যারা সরকারে আছে তারা বিষয়টি আশা করবো একটু নজর দিবেন।
আজ তিনি একজন সাহসি ব্লগার, তার লেখায় পাওয়া যাবে দেশ প্রেম, দেশের প্রতি ভালবাসা মমতা ও টান, যদিও একাধিকবার দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার পরও সে একবার ইন্ডিয়ার মিশন হসপিতালে চিকিৎসার প্রয়োজনে ভ্রমন করেন। বর্তমানে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সেই পঞ্চমবার আর ভিসা নিতে দাড়াইনি, এবং বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা: জীবন চন্দ্র দাশের অধীনে সে চিকিৎসা রত। প্রথম আলো ব্লগে তিনি এক বছরের বেশী সময় ধরে লিখলেও ব্লগের সকল ব্লগাররা বেশ উৎসাহ দেখালেও পরবর্তী যে কোন কারণেই হউক সাহায্য বন্ধ হয়ে যাই এবং অনেকে তার উপর চটে গিয়ে তাকে প্রতারণার মামলায় ফাসানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বিফল হন অনেক ব্লগার, যা অনভিপ্রেত। তিনি এক কন্যা সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে চট্টগ্রামেই বসবাস করছেন বর্তমানে।
২০০৪ সালে দুরারোগ্য হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত হন ও ডাক্তার জীবন চন্দ্র দাসের কাছে চিকিৎসাধীন আছেন।
এবার একটু পিছনে ফিরবো। সময়টা ঠিক মনে পড়ছে না, তবে এইটা মনে আছে আমি (লেখক) আর বড় ভাই ঢাকায়। আমি ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে বেড়াতে গেলাম মেজবোন মিলির সংসারে তখন বড়দা পাকাপাকি অবস্তান নিয়েছে, ঢাকার পান্ডা গার্ডেন চাইনিজ রোস্তোরা’তে চাকরীর সুবাধে সে ঢাকায় কেননা লিবিয়া থেকে রিক্ত হস্তে সে ফিরে আসে এবং বিদেশে যাওয়ার প্রতি তার মন ভেঙ্গে যাই বলে ঢাকায় মেজবোনের বাসায় আপাতত থাকবে। একদিন আমাকে বলল ভাই, তুই আমাকে বাচা, আমি বললাম, কি বিষয়, বলে তোর বউদিকে ওরা জোর জবরদস্তি বিয়ে দিবে, আমি যদি এখন বিয়ে করতে না পারি তাহলে জীবনের সব কিছু অর্থহীণ হয়ে পড়বে। আমি তেমন একটা বেড়াবার সুযোগ পেলাম না। বড়ভাইয়ের বিপদ মানে তো আমার বিপদ, এইরুপ ভেবে আমি তার সাথে চট্টগ্রাম চলে আসি।
এক বিকেলে আমি বউদির বাসায় আমার তিন বন্ধুকে নিয়ে যাই, তখন তারা রড্রিক পরিবারের একমাত্র মেয়ে ডরিণকে অনত্র বিয়ে দেওয়ার কথা প্রায় পাকাপাকি করে ফেলেছে, মেয়ের অমতে, যেহেতু মিসেস রড্রিকের স্বামী নেই, আছে তিন ছেলে ও এক মেয়ে, এবং মেয়েকে বিয়ে দিবার কথা পাকা করেছে, তাই তিন ভাই সর্বদা সেই বাড়ীতে গার্ডের ব্যবস্তা হিসাবে তাদের ছোট ছেলে আর মেজ টাকে পাহারায় রাখতো যেন আমার বড় ভাই সেখান থেকে মেয়ে উঠিয়ে নিয়ে না আসতে পারে। তারাও খুব সম্ভব এমনটা ভেবে আগাচ্ছিল, কিন্তু বিধিবাম, আমার উপস্তিতি তাদের কাছে ধোয়াসার মতো। ঘটনায় আমার ভূমিকা নিয়ে মেয়ের ভাইয়েরা প্রশ্নবিদ্ধ।
আমি গেলাম, বড়ভাইকে টেক্সিতে বসিয়ে রেখে আমি বউদি’কে বললাম, চলেন আমার সাথে, বউদি যে রকম কাপড় পড়া ছিলো সে রকম এক কাপড়ে বেড়িয়ে আসলো তার দুই ভাইকে উপেক্ষা করে। অতপর আমি তাদের এক টেক্সিতে উঠিয়ে দিয়ে আমরা আরেক টেক্সিতে উঠলাম। নিয়ে আসলাম আমাদের বাসায়। তার কিছুদিনের মধ্যে তাদের বিয়ের ব্যবস্তা শুরু হলো যা আমরা আস্তে আস্তে জানতে পারবো। এবং আমাদের মতো সম্ভ্রান্ত একটি পরিবারের আজকের দশায় আসার পিছনে এই মহিলা (আমার বউদি) ও তাদের পরিবারের অশুভ হাত সব সময় চলে আসছিল। এবং আমার পিছনে তখন থেকে পরিবারটি লেগেই থাকলো, যা এখনো আমি বয়ে বেড়াচ্ছি।
এখানে বলে রাখা ভালো যে, আমরা সাত ভাই বোন চট্টগ্রামের সাঙ্কৃতিক অঙ্গনে অনেক বিষয়ে সাথে জড়িত থাকলেও মূলত এই এংলো পরিবারের মেয়েকে ঘরে ঢুকিয়ে আমরা সাত ভাই বোনের মাঝে শুরু হলো নানা দ্বিধাদন্ড। মায়ের সাথে বনিবনাতেও সমস্যা তৈরী হচ্ছিল কেননা আমার মা একটু বেশী পরিস্কার পরিছন্ন ও খুতখুতে স্বভাবের বলে বেজে যাচ্ছিল এক সংসাবে বসবাস করা। এদিকে বউমাকে ঘুম থেকে দেরীতে উঠবে আর কোন কাজকর্ম তার শেখা না থাকায় প্রায় বিষয়টি ঝগড়াঝাটিতে গড়াতো আর আমার ভাই আমার মাকে, ভাই বোনকে ভুল বুঝাতো, একবার আমার সাথে এই নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে হাতাহাতিতে গড়ালে মা আর বাবা সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদেরকে অন্যত্র ঘর ভাড়া নিতে বললে তা চূড়ান্ত অশান্তির রুপ লাভ করে, কেননা যে পরিবার থেকে মেয়ে আনা হলো তারা সবসময় ইংরেজীতে কথা বলতো, যা আমাদের সঙ্কৃতির সাথে খাপ খেতো না, তা ছাড়া উক্ত পরিবারের আর যারা আমাদের বাসায় বেড়াতে আসতো তারা আমাদের সঙ্কৃতির সাথে মিলতো না বিশেষ ভাবে মেয়েদের উগ্র ভাবে চলা, ছোট স্কার্ট পড়ে বাইরে যাওয়া এইসব দিক থেকে আমরা একটু সভ্য ছিলাম, ফলে মা আর বউদির সাথে সব সময় মিস-আন্ডারষ্ট্যান্ডিং চোখে পড়তো, অবশেষে আমার বড় ভাইকে অবশেষে ঘরভাড়া নিতে হলো আমাদেরই পাশের আরেক পাড়াবাসীদের ভাড়া বাসায়। তারা চলে গেলেও বড় ভাই ও বউদির ফ্যাক্টর আমাদের পরিবারের সাথে অদৃশ্য ভাবে মিশে রইল কারণ বড়ভাই সবসময় বাবার সাথে তার বিষয় নিয়ে সংসারে অশান্তি করতে আসতো। এতে আমার বাবা মানষিকভাবে চাপের মধ্যে পড়ে।
পরিবারের বড় মেয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের ছেলের সঙ্গে লাভ-মেরেজের কারণে আমার বাবা ভীষণ আঘাত পাওয়ার ফলস্বরুপ বাদ বাকী বোনদের কে লইট্ট্যা মাছের মতো বিয়ে দেয়া শুরু করলেন না জানি বড়টা যা ডুবিয়েছে, পরের গুলো যেনো পরিবারটাকে না ডুবাতে পারে, এইরুপ তাড়াহুড়ার মাঝে আমার ছোটো তিনবোনকে যেরুপ ভাবে মানুষে বিয়ে দেবার কথা তার চাইতে আরও জোরেসোরে বিয়ের প্রস্তূতি নিতে দেখা গেল আমার বাবা আর মার মাঝে। মোট কথা পারিবারিক শান্তি আর পরিবারটার মাঝে রইলো না।
বড়বোন ও বড়ভাইয়ের এহেন আচরণে বাবা একেবারে ভেঙ্গে পড়েন, আর আমি পরিবারের এইরুপ ভাঙ্গা সময়ে নিজেকে নিজেই হারিয়ে ফেলি হতাশার রাজ্যে, ১৯৮৭ সালে ডিগ্রী পরীক্ষা কোনরকমে এটেন্ড করি কেননা পরীক্ষার আগের রাতেও খেপ মেরেছি বিয়ে বাড়ীতে, ফলে রেজাল্ট যা হওয়ার হলোও তাই, কোনরকমে তৃতীয় শ্রেনী। তবুও একবারের চেষ্টায় এভাবে বলে সান্তনা পাওয়া যেতে পারে কিন্তু আমি তো সেইটা মনে করি না কেননা আমি আমার জীবনে আর কিছু পাওয়ার জন্য বেচেঁ নেই। আমার ছোট ভাই কিছুটা নিজেকে ফিরে পেয়েছে লন্ডনে গিয়ে কিন্তু আমি যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে গেলাম।
১৯৯৯ সালের কথা। হাসনা হেনার বিয়ে সংক্রান্ত বিযয়ে কথা হচ্ছিলো, তখন হাসনা হেনার কোনো পাত্রী পছন্দ হয় না, কোনোটা কালো তো কোনটা বেশী ধলা, যাই হউক শেষে এক পাত্রীকে দেখতে তিনি গেলেন রোজলিনের বড়ভাইয়ের বাসায়, বিএসএস পরীক্ষার রেজাল্ট পেয়ে চট্টগ্রামে নিজের বড়ভাইয়ের বাসায় উঠেছেন মাস দুয়েক আগে অপেক্ষায় মহিলা কলেজে এমএসএস করার অভিপ্রায়। আর গল্পের হাসনা হেনার পাত্রী দেখতে গিয়ে রোজলিন ডায়েস সাথে কথা হলো, আলাপ পরিচয় পর্ব শেষ হলো, কন্যা দেখা ও হলো, জানা গেল কন্যার বাবা বয়সের কারণে অসুস্ত শেষকালে ছোট মেয়ের বিয়ে দেখে শরীর রাখবেন এমন ইচ্ছা প্রকাশ করলে তাড়াহুড়ার এই বিয়ে, তার পিতা এলেন ডায়েস সরকারী চাকড়িজীবি ছিলেন যখন আমার বিয়ে হয়, আর মাতা র্মাগারেট ডায়েস, সরকারী প্রাইমারি বিদ্যালয়ের ছিলেন হেড মিস্ট্রেস মোটামুটি পরিবারটি সরকারি চাকরী করে আসছিলো। অতপর: তাদের ছোট মেয়ের সাথে হাসনা হেনার বিয়ে হলো ধুম-ধাড়াক্কা বাদ্য বাজনা হলো। এইভাবে ঘটনা এগিয়ে চলছিলো সামনের দিকে।
বর্তমানে কে কি ভাবে আছি একটু বিস্তারিত বলা দরকার।
আমি হাসনা হেনা আমার হালতে আছি, বড় ভাই অসুস্ত শুনেছি তবে দেখিনি, তার ঘরে এক মেয়ে যে ঢাকার মিশনারী স্কুলের বোর্ডিং’এ পড়ালেখা করে, তাদের ছোট ছেলে যার সাথে আমার কিছুটা ভাব ছিল, সে এখন মালেশিয়াতে, ইন্টার পাস করে পড়ালেখার মতিগতি না দেখে তাকে কামানোর কাজে তার বাবা মা লাগিয়ে দিয়েছে এই বয়সে যে বয়সে একটা লাইন নিয়ে পড়ালেখার জীবন শেষ হয়। অন্তত আমাদের মতো পরিবারে। ছেলের মতিগতি নিশ্চয় বাবা-মার জানা হয়ে গেছে, তাই হয়তো ভালোর জন্য এমন করেছে, যাই হউক এটা তাদের বিষয়। আমি আমার এক কন্যা সন্তান নিয়ে আছি, রোজলীন আছে তার ব্যবসা (ট্রেইনিং সেন্টার আর দোকান নিয়ে) মেয়ে স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছে বলে ইন্ডিয়া যাওয়া আমার থামাতে হয়েছে, কেননা এইরুপ জীবনের শুরুর বছরগুলো আমাদের পিতা-মাতারা তেমন ভাবে ভাবতে শিখেনি বলে সময়কালে আমরা কিছু হতে পারিনি।
প্রতিদিন আপগ্রেড জানতে এখানে ক্লিক করুন।
Subscribe to:
Posts (Atom)